-30%

জীবনের স্মৃতিদীপে (হার্ডকভার)
লেখক: শ্রীরমেশচন্দ্র মজুমদার
ক্যাটাগরি: জীবনী, স্মৃতিচারণ
প্রকাশক: সূচীপত্র
৳ 400 ৳ 280
You Save 30% স্টক শেষ হওয়ার আগেই অর্ডার করুন
- উপহার তালিকায় যুক্ত করুন
- বইটি শেয়ার করুন
পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দিন
(৩-৭ দিন সময় লাগতে পারে)৭ দিনের মধ্যে পরিবর্তনের সুযোগ!
(কেবল ত্রুটি থাকা সাপেক্ষে ফেরত প্রযোজ্য)
একই বিষয়ে আরও বই
আরও দেখুন
একনজরে বইয়ের বিবরণ
"জীবনের স্মৃতিদীপে" বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখা :
রমেশচন্দ্র মজুমদার (১৮৮৮-১৯৮০): জন্ম, খণ্ডপাড়া (খান্দারপাড়া) গ্রাম , ফরিদপুর, ৪ ডিসেম্বর ১৮৮৮। ঐতিহাসিক। মায়ের দিক থেকে তিনি রাজা রাজবল্লভের বংশধর, বাপের দিক থেকে রাজা হরিনাথের। বাবা ত্রিপুরার রাজ এস্টেটের উকিল হলধর মজুমদার। কটকের র্যাভনশ কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে এন্ট্রান্স (১৯০৫) পাস করে বিভাগীয় বৃত্তি লাভ। কলকাতা রিপন কলেজ থেকে চতুর্থ স্থান অধিকার করে এফ. এ. (১৯০৭) পাস। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে পােস্টগ্রাজুয়েট স্কলারশিপ পেয়ে ইতিহাস অনার্সসহ বি. এ. (১৯০৯) ও একই কলেজ থেকে ইতিহাসে প্রথম শ্রেণিতে এম. এ. (১৯১১) ডিগ্রি লাভ। ১৯১২ তে ‘অন্ধ কুশান আমল’ সম্বন্ধে গবেষণা করে পি. আর. এস. ডিগ্রি ও ১৯১৩-তে প্রেমাদ-রায়চাঁদ বৃত্তি লাভ। অতঃপর ঢাকা গভর্নমেন্ট ট্রেনিং কলেজের লেকচারার নিযুক্ত (১৯১৩)। পরের বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসের লেকচারার পদে যােগদান (১৯১৪) সেখানে প্রায় সাত বছর অধ্যাপনা। এ সময়ে প্রাচীন ভারতের ইতিহাস বিষয়ে গবেষণা করে পিএইচ.ডি. ডিগ্রি লাভ। ১৯২১-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর পদে যােগদান। ইতিহাস বিভাগের প্রধান ও জগন্নাথ হলের প্রভােস্ট পদে দায়িত্ব পালন। ১৯৩৭-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলার নিযুক্ত। ১৯৪২-এ এ পদ থেকে অবসর গ্রহণ। কাশী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব ইন্ডােলজির প্রিন্সিপাল পদে দায়িত্ব পালন (১৯৫০-১৯৫২)। ভারতের জাতীয় সংগ্রামের ইতিহাস রচনার জন্য ভারত সরকার কর্তৃক গঠিত ‘বাের্ড অব এডিটরসের’ (১৯৫৩) ডাইরেক্টর নিযুক্ত। তৎকর্তৃক উপস্থাপিত খসড়া বাের্ড অব ডাইরেক্টরের সভায় উপেক্ষিত হলে এ কমিটির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ।
রমেশচন্দ্র মজুমদার (১৮৮৮-১৯৮০): জন্ম, খণ্ডপাড়া (খান্দারপাড়া) গ্রাম , ফরিদপুর, ৪ ডিসেম্বর ১৮৮৮। ঐতিহাসিক। মায়ের দিক থেকে তিনি রাজা রাজবল্লভের বংশধর, বাপের দিক থেকে রাজা হরিনাথের। বাবা ত্রিপুরার রাজ এস্টেটের উকিল হলধর মজুমদার। কটকের র্যাভনশ কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে এন্ট্রান্স (১৯০৫) পাস করে বিভাগীয় বৃত্তি লাভ। কলকাতা রিপন কলেজ থেকে চতুর্থ স্থান অধিকার করে এফ. এ. (১৯০৭) পাস। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে পােস্টগ্রাজুয়েট স্কলারশিপ পেয়ে ইতিহাস অনার্সসহ বি. এ. (১৯০৯) ও একই কলেজ থেকে ইতিহাসে প্রথম শ্রেণিতে এম. এ. (১৯১১) ডিগ্রি লাভ। ১৯১২ তে ‘অন্ধ কুশান আমল’ সম্বন্ধে গবেষণা করে পি. আর. এস. ডিগ্রি ও ১৯১৩-তে প্রেমাদ-রায়চাঁদ বৃত্তি লাভ। অতঃপর ঢাকা গভর্নমেন্ট ট্রেনিং কলেজের লেকচারার নিযুক্ত (১৯১৩)। পরের বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসের লেকচারার পদে যােগদান (১৯১৪) সেখানে প্রায় সাত বছর অধ্যাপনা। এ সময়ে প্রাচীন ভারতের ইতিহাস বিষয়ে গবেষণা করে পিএইচ.ডি. ডিগ্রি লাভ। ১৯২১-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর পদে যােগদান। ইতিহাস বিভাগের প্রধান ও জগন্নাথ হলের প্রভােস্ট পদে দায়িত্ব পালন। ১৯৩৭-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলার নিযুক্ত। ১৯৪২-এ এ পদ থেকে অবসর গ্রহণ। কাশী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব ইন্ডােলজির প্রিন্সিপাল পদে দায়িত্ব পালন (১৯৫০-১৯৫২)। ভারতের জাতীয় সংগ্রামের ইতিহাস রচনার জন্য ভারত সরকার কর্তৃক গঠিত ‘বাের্ড অব এডিটরসের’ (১৯৫৩) ডাইরেক্টর নিযুক্ত। তৎকর্তৃক উপস্থাপিত খসড়া বাের্ড অব ডাইরেক্টরের সভায় উপেক্ষিত হলে এ কমিটির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ।




